শুক্রবার, এপ্রিল ১৬, ২০২১

হলদে পাখি বাও ধান খায়, পর্ব -২১ ( অন্তিম পর্ব )

একুশ

সেদিনও সারাটাদিন ঘুরে ঘুরে রসেশ্বর কোথাও কাজ খুঁজে পেল না। নদীর তীরে জঙ্গলে গিয়ে অনেকক্ষণ খুঁজে সে কিছু বন‍্য আলু পেল। মাটি খুঁড়ে বন্য আলু গুলি বের করে গামছা বেঁধে তা নিয়ে বিকেলের দিকে সে বাড়ি ফিরে গেল। আজ রাতে বাড়ি ফিরে প্রত্যেকেরই একমাত্র আহার হবে বন‍্য আলু। এভাবে আর কতদিন প্রাণ ধরে রাখতে পারবে সেকথা একমাত্র ভগবানই জানেন। সন্ধ্যার সময় বাড়ির সামনে পৌঁছে সে দেখতে পেল একটা জিপ গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে ।রসেশ্বরের দরজার সামনে জিপ গাড়ি!সে হন্তদন্ত হয়ে ঘরের দিকে দৌড়ে গেল। আজ নিশ্চয় কোনো অঘটন ঘটেছে। সনাতন মহাজন' তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার জন্য হয়তো পুলিশ পাঠিয়ে। রসেশ্বর বারান্দায় দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে অন্ধকারে বারান্দায় বসে থাকা কোনো একজন মানুষ বলে উঠল- ‘রসেশ্বর কি?’ এত মধুর কোমল কণ্ঠস্বর রসেশ্বর জীবনে কখনও শোনেনি। তার বুকের মধ্যে প্রাণটা ফিরে এল। মানুষটার শরীরের একেবারে কাছে দাঁড়িয়ে রসেশ্বর প্রশ্ন করল- ‘আপনি কে বসে আছেন, আমি অন্ধকারে দেখতে পাচ্ছিনা….'

‘কী কথা বলছিস রসেশ্বর?’, আমাকে চিনতে পারছিস না?'- কৃত্রিম বিরক্তির সঙ্গে মানুষটা বলল-' আমি সনাতন শর্মা।'

সনাতন শর্মা! মুহূর্তের জন্য রসেশ্বর প্রস্তরীভূত হয়ে গেল। তার ঘরের বারান্দায় ছোট এক টুকরো কাঠের পিঁড়িতে বসে আছে সনাতন শর্মা। এক কুড়ি বছর আগে মরে ভূত হওয়া তার বাবাও যদি সেই মুহূর্তে জীবন্ত রূপ ধরে তার সামনে দাঁড়িয়ে বলতেন-’ তুই আমাকে চিনতে পারছিস না, আমি তোর পিতা’ তাহলেও সে বোধহয় কিছুটা কম অবাক হতো ।কোনো সাড়া শব্দ না শুনে সনাতন আবার বলে উঠল-’ কী হল? তুই দেখছি আমাকে দেখে ভুত দেখার মত আচরণ করছিস। উঠে আসছিস না কেন? আমি এক ঘন্টার চেয়েও বেশি সময় তোর জন্য অপেক্ষা করে বসে রয়েছি।’ সনাতনের কণ্ঠস্বরে রসেশ্বর চেতনা ফিরে পেল কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তে যে কথাটা রসেশ্বরের মনে এল সেটা এই নয় যে সনাতন তার সাত জন্মের শত্রু।এই মানুষটা তার চরম সর্বনাশ করেছে। আজও হয়তো তিনি কিছু একটা সাংঘাতিক বিপদ তার ঘরে বহন করে নিয়ে এসেছে। তার কেবল মনে পড়ল যে সনাতনের মতো এত বড় একজন ধনী মানুষকে নিতান্ত একজন সাধারন মানুষের মতো তার ঘরের বারান্দায় বসে থাকতে হয়েছে। স্থাপিত ঠাকুর ঘরে পা লেগে যাওয়ার মতো একটা প্রচন্ড অপরাধবোধ রসেশ্বরকে মুহূর্তের মধ্যে অস্থির এবং আতঙ্কিত করে তুলল। ধনী এবং শক্তিমানের প্রতি যে ভয় এবং দাস‍্যতারভাব যুগ যুগ ধরে রসেশ্বরদেরমতো মানুষগুলির জীবনে মজ্জাগত হয়ে পড়েছে, রসেশ্বরের অন্য সমস্ত অনুভূতি ফেলে রেখে সেই ভয়ের ভাবই সেই মুহূর্তে সবচেয়ে প্রবল হয়ে উঠল সে প্রায় আর্তনাদ করে উঠল - ‘প্রভু আপনি দুঃখীর ঘরে পদধূলি দিতে এসে এভাবে বারান্দায় কাঠের পিঁড়িতে বসে রয়েছেন ? আমার স্ত্রী কোথায় মরতে গিয়েছে? গেল, গেল এই মানুষটা আমার মান সম্মান বলতে কিছু আর রাখল না । আজ আমি তাকে-'

'রসেশ্বর'- সস্নেহ শাসনের সুরে সনাতন বলে উঠল-’ সম্পূর্ণ কথা না জেনে চেঁচামেচি করিস না, আজ বিকেল থেকে স্ত্রীর জ্বর হয়েছে। এতক্ষণ সে আমার কাছে বসে ছিল। এই কিছুক্ষণ আগে আমি তাকে জোর করে ভেতরে পাঠিয়ে দিয়েছি। ওকে শুয়ে থাকতে বলেছি আর যে অন্ধকারের কথা বলছিস, তুই কেরোসিন তেল এনে না দিলে সে কীভাবে প্রদীপ জ্বালাবে?'... রসেশ্বর তুই বড় ভুল কাজ করছিস আমি জানি রাগের মাথায় কোনো একসময় তোকে কিছু কথা বলে ফেলেছি, তা বলে এত ভয়ঙ্কর বিপদে পড়েও একবারও আমার কাছে গেলিনা? বাপ ছেলেকে তো কত কথাতেই শাসন করে,ধমক দেয় কিন্তু তা বলে কি ছেলে বাপের কাছে চিরকালের জন্য পর হয়ে যায়? আমার ভুল হয়েছে স্বীকার করছি। আরে তুই দেখছি গাছের গোড়ার মত দাঁড়িয়ে রইলি, বসছিসনা কেন ?'

' বসছি, বসছি প্রভু। আপনার পায়ের কাছে কিছুক্ষণ বসে দেহটা জুড়িয়ে নিই। রসেশ্বর সনাতনের পায়ের কাছে মাটিতে বসে পড়ল।

' স্বীকার করছি আমার ভুল হয়েছে। আমার নিজেরও তোর খবর নেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু কী করব, একা মানুষ কোনদিকে আর কত দেখব। আচ্ছা যা হবার হয়ে গেছে, নে এই টাকাগুলি ধর।পঁচিশটাকা আছে বোধহয়। পরে আরও দেব, তোর স্ত্রীর মুখে আমি সমস্ত কথা শুনেছি। আজ কয়েকদিন ধরে তোরা খেতে পাস নি। তোর স্ত্রীর কী হয়েছে বলে মনে করছিস, সামান্য জ্বর হয়েছে। অন্য কিছু নয় ।এখন যা দোকান থেকে কিছু চাউল কিনে এনে খাবার ব্যবস্থা কর। বাপ হয়ে নিজের ছেলেমেয়েদের এভাবে চোখের সামনে তিল তিল করে মরতে দিতে হয়? খুব ভুল কাজ করছিস। আমি এখন যাই। ও শোন কাল আমি তোকে হাটখোলার সভায় দেখেছিলাম। তুই ইতিমধ্যে নিশ্চয়ই জানতে পেরেছিস আমি এবার ইলেকশনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছি। তোর ভোটটাও কি আমাকে চেয়ে নিতে হবে নাকি? অন্ধকারে সনাতন দেখতে পায়নি তার দেওয়া পঁচিশটাকার নোটটা দুই হাতে ঠোঁটে চেপে ধরে রসেশ্বর কৃতজ্ঞতার উদগত কান্নাটা জোর করে চেপে রাখার চেষ্টা করছিল। সনাতনের প্রশ্নটি শোনামাত্র রসেশ্বর তিলমাত্র সময় চিন্তা না করে উত্তর দিল-’ ইস, ইস কী যে কথা সব বলেন প্রভু। আমি আপনাদের সাত পুরুষের গোলাম। আমার ভোটটা আবার নতুন করে চাইতে হবে নাকি? আমার ভোটটা চাওয়ার আগেই আপনার জন্য রক্ষিত আছে প্রভু। সনাতন যাওয়ার জন্য উঠে দাঁড়াল। শান্ত পরিতৃপ্ত কন্ঠে সনাতনবললেন-’ তুই আগামীকাল আমার বাড়ির দিকে একবার যাবি। সারাটাদিন ঘুরে ফিরে হাজিরা কাজের জন্য তোকে খুঁজে মরতে হবে না। ইলেকশনের সময় করার মতো অনেক কাজ থাকে। এই কয়েকদিন তুই আমার বাড়িতে কাজ করবি। রসেশ্বরের বুক থেকে আরও একগুচ্ছ কৃতজ্ঞতার কান্না গলা পর্যন্ত উঠে এল।

সনাতন জিপ গাড়িতে উঠতে যেতেই রসেশ্বর ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল-’ অপরাধ না ধরলে একটা কথা জিজ্ঞেস করছি প্রভু। কাল যে সভায় শুনেছিলাম এবার ভোট হয়ে যাওয়ার পরে সরকার নতুন আইন করবে। সমস্ত জমিহীন মানুষেরা জমি পাবে-কথাটা সত্যি নাকি প্রভু?'

নিশ্চয় সত্যি, একশোবার সত্যি’- অভিনয়ের সুরে সনাতন চিৎকার করে উঠলেন। এবার মুখের কথা নয়, কেবল কাজ। নিজ চোখে দেখতে পাবি। রসেশ্বর আবার ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল-' তাহলে প্রভু আমার জমিটা-’

রসেশ্বরের কথা শেষ করতে না দিয়ে সনাতন বললেন-’ দেশের সমস্ত মাটিহীনই যখন মাটি পাবে তখন লক্ষীর প্রসাদ থেকে তুই কেন বঞ্চিত হবি? ইলেকশনটা পার হয়ে যেতে দে, আমি তোকে সমস্ত কথা ভালোভাবে বুঝিয়ে দেব। দেশের সরকারই যখন তোদেরকে মাটি দেবে বলেছে, তাহলে আমি না দেবার কে?' আমি এখন যাই রসেশ্বর। আর আমায় আরও অনেক জায়গায় যেতে হবে। তুই কালকে একবার আসিস। ধুলোর মেঘ উড়িয়ে দিয়ে সনাতনের জিপগাড়ি বিকট শব্দে এগিয়ে গেল। ধুলো রসেশ্বরের নাক মুখ ঢেকে ফেলল। কিন্তু সেদিকে ভ্রূক্ষেপ না করে সেই পঁচিশ টাকার নোট গুলি পুনরায় একবার দুই হাতে ঠোঁটে চেপে ধরল। সুখের আবেগে তার ঠোঁট দুটি সামান্য কেঁপে উঠল। কতদিন সে পেট ভরে খেতে পায়নি। খেতে না পেয়ে তার ছেলেমেয়েদের বুকের হাড় দুর্বল হয়ে পড়েছে। আজ অনেকদিন পরে ওরা পেটভরে খেতে পাবে। কেবল আজকেই নয়, কালকেও ওরা নিশ্চয়ই খেতে পাবে। কারণ সনাতন মহাজন' আরও কয়েকদিনের জন্য কাজ দেবে বলে তাকে বলে গেছে। কী শান্তি, কী আরাম। আজ রাতটা অন্তত সে নিশ্চিন্ত মনে ঘুমোতে পারবে। আগামী কাল কাজ খুঁজে না পাওয়ার দুশ্চিন্তা রাতের ঘুমকে ভয়ংকর দুঃস্বপ্নে ভরিয়ে তুলবে না।…. হতে পারে সনাতন মহাজন' কু-চক্রী দুষ্ট মানুষ, কিন্তু তবু তিনি চিরকালের পরিচিত মানুষ লোকে কথায় বলে-' আমার ছেলে দুষ্ট, আমাকে কাটে, আমাকে মারে, আমাকে করে তুষ্ট।একদিন যদি সনাতন মহাজন' তার কোনো অপকার করে থাকে অন্য একদিন নিশ্চয়ই উপকার ও করবে, সকালবেলা তার কাছে ভোট চাইতে আসা ছেলে দুটি মুখে নানা সহানুভূতির কথা বলে তাকে ভবিষ্যতের বহু আশ্বাস দিয়ে গেল কিন্তু তার ক্ষুধার জ্বালা নেভানোর জন্য সনাতন মহাজনের মতো ওরা তা ঠিক কয়েকটি টাকা ছুড়ে দিয়ে যেতে পারল না, লোকেরা বলে অচেনা কাঠে থুরা লাগাবে না, সুযোগ বুঝে বীজ লাগাবে, অপরিচিত মানুষের দুর্ভোগে মৌখিক আশ্বাসের চেয়ে হাতের কাছে ক্ষুধার জ্বালা মেটানোর জন্য নগদ টাকা ছুড়ে দেওয়া মানুষের কথার মূল্য নিশ্চয় অনেক বেশি... রসেশ্বর তার ভোটটা সনাতন ছাড়া অন্য কাউকে নিশ্চয়ই দেবে না। সেদিন রাতে পেট ভরে খেয়ে উঠে বিছানায় শুতে যাবার সময় রসেশ্বর পুনরায় একবার সনাতন মহাজনের নাম কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করল। সনাতন নিজে তার বাড়িতে এসে বলেছে যখন সে এবার নিশ্চয় তার মাটি ফিরে পাবে।

সেদিন রাতে সনাতন মহাজন বিছানায় শুতে যাবার সময় সারাদিনের নির্বাচনী অভিযানের ফলাফল গুলি নিজের মনে একবার হিসাব করে দেখল। অনেক মানুষের সঙ্গে রসেশ্বরের নামটাও তার মনে পড়ল। তার ভোটটানিশ্চয় তিনি পাবেন, সেই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তার মুখে একটা তীক্ষ্ম বিদ্রুপের হাসি ফুটে উঠল, গাধা, বোকা কোথাকার,হাঁটুর নিচের মশা হয়ে তুই আমার বিরুদ্ধে মামলা করতে আসিস। ইলেকশনটা আগে পার হয়েযেতে দে, তোকে ভালো করে মাটি খাওয়াব।'

পরের দিন সকালবেলা রসেশ্বর সনাতন মহাজনের বাড়িতে গেল। সনাতন তাকে একগাদা পোস্টারএকটা খালি ডালডার টিনে একটিন আঠা দিয়ে বললেন-' আজ সারাটা দিন তুই যত জায়গায় পারিস সবার চোখে পড়ার মতো করে এই কাগজগুলি আঠা দিয়ে লাগিয়ে রেখে আসবি।'

রসেশ্বর পোস্টারগুলো নিয়ে প্রথমে বড় গাছটার নিচে গেল । সে গিয়ে দেখল- গাছটার নিচে ইতিমধ্যেই কেউ একজন একটা কাগজ আঠা দিয়ে লাগিয়ে রেখে গেছে। কাগজটাতে কেউ একজন হাতে আঁকা রাক্ষসের মতো একটা মূর্তি। তার নিচে লাল কালিতে হাতের লেখায় বড় বড় করে লেখা রয়েছে- ‘রক্ত চুষে চুষে ঢোল হয়ে ওঠা সনাতন মহাজন' রাতারাতি দুঃখীর বন্ধু এবং সমাজবাদী এই ভেলকিবাজি কীভাবে সম্ভব হল?'

রসেশ্বর কিছুক্ষণ কাগজটার দিকে তাকিয়ে রইল। ক্ষণিকের জন্য তার মনে প্রশ্ন জাগল ঃ ' যে সনাতন দলিল জাল করে তার চাষের একমাত্র মাটিটা আত্মসাৎ করেছে এবং তার পুরো পরিবারটা কে পথের ভিখারী তে পরিণত করেছে সেই সনাতনের হঠাৎ দুঃখীদের প্রতি এত দরদ উথলে উঠলো কেন? কিন্তু সে বেশিক্ষণ সে কথা চিন্তা করে থাকতে পারল না। হাতের পোস্টারটা খুলে তারই একটি সে বড় গাছটায় ইতিমধ্যে থাকা কাগজের উপরে আঠামেরে লাগিয়ে দিল। রসেশ্বরের চোখের সামনে উন্মোচিত হয়ে পড়ল সনাতনের হাসিমুখের একটি সুন্দর ছবি। ছবির নিচে লেখা ছিলঃ সনাতন শর্মা কে ভোট দিয়ে সমাজবাদের শক্তিকে জয় যুক্ত করুন, দরিদ্র জনতার অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামকে আর ও এক পা এগিয়ে নিয়ে যান।

'সমাজবাদ এবং সনাতন শর্মার জয়বার্তা প্রচার করা কাগজগুলি রসেশ্বর মনের উৎসাহে মনের উৎসাহে সেগ্রামের প্রতিটি ঘরে এবং প্রতিটি গাছে ঝুলিয়ে দিল। তার কান্ড দেখে সনাতন শর্মা মুখের ভেতর একটি নির্মম বিদ্রুপের হাসি হাসলেনঃ' গাধা বোকা কোথাকার আগে ইলেকশনটা পার হয়ে যেতে দে। ভালোভাবে মাটি ভোগ করতে পারবি। নিজের মাটির সম্পত্তি অন্যকে বিলিয়ে সর্বস্ব ত্যাগ করে বম ভোলা শিব হওয়ার জন্য সনাতন বুড়ো বয়সে সমাজবাদী হয়নি। ইলেকশনটা আগে পার হয়ে যেতে দে, ধুলোর কুকুর হয়ে সনাতন শর্মার বিরুদ্ধে মামলা করার প্রতিফল হাতে হাতে পাবি।'

রসেশ্বরের কোনো দিকে তাকানোর মতো সময় ছিল না। তখন ও তার আরও দুটি গ্রামে পোস্টার লাগানো বাকি।এই গাছ থেকে সেই গাছ, দেওয়াল থেকে অন্য আরেকটি দেওয়ালে, সমাজবাদ এবং সনাতন শর্মার জয় বার্তা প্রচার করার কাগজ গুলি কাঁধেবোঝা বেঁধেনিয়েকুকুরের মতো দৌড়াতে লাগল। আসলে সে নিজের ফাঁসি কাঠ নিজেই বহন করে নিয়ে যাচ্ছিল।কিন্তু এক মুহূর্তের জন্য ও সে ব‍্যাপারটাবুঝতে পারেনি। মনের আনন্দে তার মুখ দিয়ে গুন গুন করে একটা গান বেরিয়ে এসেছিল।


সমাপ্ত

---------------------