শনিবার, নভেম্বর ১৬, ২০১৯

সৌমিত্র চক্রবর্তীর দুটি কবিতা

ঊর্ণী চূর্ণী

ঊর্ণী নদীর ঘূর্ণিপাকে থৈ থৈ থৈ ভোডকা

লাভ শিডিউল পাত পাড়লে প্রাক্তন হয় ছোটকা।

টান টান টান নগ্ন নদী যখন তখন ঢেউ

ইনভিটেশন পেলেই সাঁতার কাটতে রাজি কেউ।

এথার ওথার অকূল পাথার কাচকি মাছের বাস

মাছের পেটে লম্বা সুড়ং রাত গভীরের শ্বাস।

কাচকি মাছের দুপাশ জুড়ে প্রবাল দ্বীপের ওয়াল

কাচকি খেতে আসছে উড়ে জংলা রাঘব বোয়াল।

খাচ্ছে কিন্তু গিলছে না বিমূর্ত পোর্ট্রেট

আর্কিটেক্টও থমকে বলে, “ঊর্ণী ইউ আর গ্রেট”!

ছুঁলেই নদী খেই হারিয়ে ইমম্যাচিওরড রা

ঊর্ণী উছল চূর্ণী নদী র‍্যাম্পমপম ট্রা।

*****


ঊর্ণি চূর্ণি

ঠিক দুক্কুরবেলা

ভুল তথ্য, কোনো ভুত ঢিল মারেনি

আসলে ভুতের অত সাহস এই উনিশে নেই।

ঘরের ভেতরে

সবকটা জানলা বন্ধ

সবকটা দরজা বন্ধ

রোদ্দুর আস্তে আস্তে খুনি হয়ে যাচ্ছে

আর ঘরের ভেতরে তখন

ভাইচারার শেকল গড়ে খেলছে তিন পেঙ্গুইন;

জুলজুলে চোখের মনি

আর ছাই রঙা বাচ্চা পান্ডা

আদর খেতে তৈরি গ্রীষ্মমাস;

হলদে আর কয়েকটা

অ্যাম্বার অচেনা ফুল

স্থিরা সময়ের নৈকট্য মাপে।

সেই দুক্কুরবেলা

একলা ঘরে আমি ঊর্ণি

আর আমাদের কিশোরবেলা।