মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৯

মিশন চন্দ্রযান -২

  • অন্যদেশ ডেক্স

আপামর ভারতীদের জন্য গর্বের মুহূর্ত ।

ঘড়ির কাঁটায় ঠিক দু’টো ৪৩ মিনিটে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধবন মহাকাশ কেন্দ্র থেকে ভারতের চন্দ্রযান-২ চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছে বলে ঘোষণা করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো)।গোটা দেশেরে নজর এ বার অন্তরীক্ষে। নজর রয়েছে নাসা থেকে শুরু করে বিশ্বের প্রায় সব দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলি। পাশাপাশি ইসরোর সব বিজ্ঞানী এবং মিশনের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইসরোর চেয়ারম্যান কে সিবন।শক্তিশালী ৬৪০ টনের ‘বাহুবলী' রকেট দ্রুত মহাকাশে পৌঁছবে। জিএসএলভি মার্ক ৩ ইসরোর সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেট। ৪৪ মিটার লম্বা এই রকেটটি একটি ১৫ তলার বাড়ির সমান উঁচু। রবিবার ৬.৪৩ মিনিট থেকে ২০ ঘণ্টার কাউন্ট ডাউন শুরু হয়ে যায়। ১০০০ কোটি টাকার মিশন এই চন্দ্রযান-২।

সফল উৎক্ষেপণের জন্য ইসরোর বিজ্ঞানীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। উৎক্ষেপণের সময় তিনি নিজেও দূরদর্শনে লাইভ টেলিকাস্ট দেখেছেন। সেই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় টুইট করে বিজ্ঞানী এবং এই মিশনের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। এ ছাড়াও কেন্দ্রের মন্ত্রী থেকে নেতা, বিশিষ্ট ব্যক্তি থেকে শুরু করে নেট দুনিয়ায় বহু সাধারণ মানুষও ইসরোর বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় মোটের উপর একটাই বক্তব্য উঠে এসেছে, ‘গর্বের মুহূর্ত’।

ভারতের কাছে এই অভিযান একটি সফল মহাকাশযাত্রা । এই চন্দ্রাভিযান সফল করতে মাসের পর মাস ধরে নিরলস পরিশ্রম করেছেন মহিলা ও পুরুষদের একটি বিশেষজ্ঞ দল। বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসাবে এই ধরণের কঠিন মহাকাশযাত্রার চ্যালেঞ্জ নিয়েছে ভারত যেখানে এই চন্দ্রযান ২ অন্য দেশগুলির তুলনায় অনেক কম খরচে চাঁদের মাটিতে অবতরণ করবে। ভারতে এই প্রথমবার, এই চন্দ্রাভিযানের নেপথ্যে অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে ইসরোর (ISRO) একদল মহিলা-বিজ্ঞানী)। দেশের দ্বিতীয় চন্দ্রাভিযান প্রকল্পটি সম্ভব হয়েছে মূলত দুই নারীর হাতযশেই, একজন এই প্রকল্পের পরিচালক মুথ্যাইয়া ভানিথা এবং অন্যজন রীতু কারিধাল, যাঁর পরিচালনাতেই চাঁদের বুকে এই ভারতীয় চন্দ্রযানটি চলাচল করবে।


সূত্র ; ANN