বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯

ভারত আবার আঘাত হানতে পারে --- এই মন্তব্য পাকিস্থান বিদেশ মন্ত্রীর

করাচি ঃ ৭-ই এপ্রিল রবিবার

১৪ ফেব্রুয়ারী পুলয়ামা সন্ত্রাসী হামলার পর পুনরায় পারমাণবিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত দুই প্রতিবেশীদের মধ্যে উত্তেজনার পারা উঠালেন পাকিস্থানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি । বেমক্কা বোমা ফাটিয়ে বলেন যে, ১৬ এপ্রিল ও ২০ এপ্রিলের মধ্যে ভারত আবারও আক্রমণ করার পরিকল্পনা করছে । এ মাসে আবারও হামলা করবে ভারত। এ ব্যাপারেপাকিস্তানের কাছে নির্দিষ্ট খবর আছে বলে জানালেন বিদেশমন্ত্রী শাহ মামুদ কুরেশি।পাক বিদেশমন্ত্রী রবিবার জানিয়েছেন এপ্রিল মাসের ১৬ থেকে ২০ তারিখের মধ্যে ভারত হামলা চালাতে পারেবলে তাঁরা খবর পেয়েছেন। আর সেই মতোরাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫ স্থায়ী সদস্যকে এই বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন পাক বিদেশমন্ত্রী। এমন অভিযোগ সম্পর্কে অবশ্য ভারতের কোন প্রতিক্রিয়া আসে নি ।

প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে ১৪ ফেব্রুয়ারির জঙ্গি হানার পর পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতীয় বায়ুসেনাআঘাত হানে।সেই ঘটনার পাল্টা জবাব দেয় পাকিস্তান।১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরে আঘাত হানে জঙ্গি সংগঠন জইশ- ই- মহম্মদ (Jaish-E- Mohammad)।সেই ঘটনায় ৪০ জন সিআরপিএফ জনের মৃত্যু হয়।এই হামলার পর থেকেই ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে।জঙ্গি হানার সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে আঘাত হানেভারতীয় বায়ুসেনা। কেন্দ্রীয় সরকার জানায় জইশ-ই-মহম্মদের সবচেয়ে বড় জঙ্গি ঘাঁটিতেআঘাত হেনেছে ভারতীয় বায়ুসেনা।তাতে বহু জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে।এমন দাবি মানতে চায়নি পাকিস্তান।তবেহামলার ২৪ঘন্টার মধ্যেই জবাব দেয় ইসলামাবাদ।সেসময় পাক হানা রুখতে গিয়ে পাকিস্তানের হাতে আটক হন বায়ুসেনার উইং কমান্ডারঅভিনন্দনবর্তমান। তখন তিনি একটি পাক যুদ্ধ বিমান ধ্বংস করেন বলেও দাবি করে ভারত। জঙ্গিদের সঙ্গে মোকাবিলা করতে পাকিস্তানকে এফ ১৬ বিমানদিয়েছিল আমেরিকা।তারই একটি ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করে দিল্লি।অতিসম্প্রতি মার্কিন পত্রিকায় একটি খবর প্রকাশিত হয়।সেই প্রতিবেদনে দাবি করা হয় আমেরিকারপ্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দুই আধিকারিক পাকিস্তানে গিয়ে এফ ১৬ বিমানের সংখ্যা গুনে দেখেছেন।আগে যে কটা বিমান ছিল এখনও সে কটাই আছে । খবর প্রকাশ্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারত জানায় বিমান যে ধ্বংস হয়েছিল তার প্রমাণ ভারতের হাতে রয়েছে । ভারতের সাধারণ নির্বাচনের মুখে পাকিস্থানের এই অবার্চীন মন্তব্যের কোন উত্তর দেয় নি ভারত ।

নিউজ সোর্স – NDTV