মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৯

নতুন বিভীষিকায় কংগ্রেস, বিজেপিতে যোগ দেয়ার হিড়িক!

ভারতে লোকসভার বিভীষিকা কাটতে না কাটতেই মহারাষ্ট্রে আরো বড় ধাক্কা খেল প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের কথা জানিয়ে দিয়েছেন বর্ষীয়ান নেতা তথা মহারাষ্ট্র বিধানসভার বিরোধী দলনেতা রাধাকৃষ্ণণ ভি কে পাটিল। তার পিছু পিছু আরও অন্তত ১০ জন বিধায়ক গেরুয়া শিবিরে পা বাড়িয়ে রেখেছে বলে দাবি স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের। যদিও, কংগ্রেসের তরফে ১০ বিধায়কের দলত্যাগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

লোকসভার আগেই দল বদলেছিলেন মহারাষ্ট্রের বর্ষীয়ান নেতা তথা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা রাধাকৃষ্ণণ ভি কে পাটিলের ছেলে সুজয় ভিকে পাটিল। বিজেপির টিকিটে আহমেদনগর থেকে এমপিও হয়েছেন তিনি। মূলত দলের টিকিট না পেয়েই বিজেপিতে নাম লিখিয়েছিলেন সুজয়। এবার তার বাবাও তার পথেই হাঁটলেন। মঙ্গলবারই কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেছেন রাধাকৃষ্ণণ ভি কে পাটিল। আগামী ১১ জুন বিজেপিতে যোগদান করতে পারেন তিনি। এদিন, দল ছেড়ে তিনি জানিয়েছেন, “কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আমার কোনো ক্ষোভ নেই। দল আমাকে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করে নিজেদের কাজ করেছে। আমিও চেষ্টা করেছি মানুষের কাজ করার। কিন্তু, বর্তমানে যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে দল ছাড়তে বাধ্য হলাম।”

রাধাকৃষ্ণণের সঙ্গে এনসিপি নেতা শরদ পওয়ারের সম্পর্ক একেবারেই মধুর নয়। তাই লোকসভায় কংগ্রেস-এনসিপি জোট মানতে পারেননি তিনি। শোনা যাচ্ছে লোকসভার পর, বিধানসভাতেও আবার জোট হওয়া কার্যত নিশ্চিত। সেকারণেই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত ভিকে পাটিলের।

বিজেপির দাবি, ভিকে পাটিলের সঙ্গে আরো অন্তত জনা দশেক কংগ্রেস বিধায়ক বিজেপিতে নাম লেখাবেন। কিন্তু, সে দাবি অস্বীকার করেছে কংগ্রেস। তাদের দাবি, আর কোনো নেতাই আপাতত দল ছাড়বেন না।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অশোক চহ্বন বলেন,”দলের কিছু বিধায়ক অসন্তুষ্ট। তাদের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। তাঁরা আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন দল ছাড়বেন না।” উল্লেখ্য, আগামী নভেম্বরেই মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচন। স্বাভাবিকভাবেই তার আগে ভি কে পাটিলের দল ছাড়া বড় ধাক্কা হতে পারে কংগ্রেসের জন্য।