বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯

দোসর চাই, চাই বাসর, উত্তরপ্রদেশ বার্তা ।

দোসর চাই , চাই বাসর , উত্তরপ্রদেশ বার্তা ।

সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব ও বহুজন সমাজ পার্টির চীফ মায়াবতী গাঁটছড়ায় সবচেয়ে বেশি চিন্তিত কংগ্রেস । । আগামী লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস নয় , উত্তর প্রদেশের এই দুই চিরশত্রুপরস্পরের হাত ধরেলেন । বিজেপির জয় যাত্রা রুখতে কংগ্রেসের একক শক্তিউত্তরপ্রদেশে অনেক আগেই স্তিমিত । একসময় বলা হত ভারতের শাসনকর্তা নির্বাচন করে উত্তরপ্রদেশ । গান্ধী পরিবারেররাজনীতির ক্ষেত্রউত্তর প্রদেশ । জহরলাল নেহেরু , ইন্দিরা গান্ধী , রাজীব গান্ধীএই দিন প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশ-জাত । সোনিয়া রাহুল এবং হালের প্রিয়ংকা সকলেরবিচরণ ক্ষেত্রউত্তর প্রদেশ । কংগ্রেসপৃষ্ট পোষকএই রাজ্যে কংগ্রেসএর পিঠ ঠেকেছে দেয়ালে । দোসর চাই , চাই বাসর ।

। রাজনীতিতে কী সম্ভব নয় ? উত্তর প্রদেশের বৃহত্তর রাজনীতির ক্ষেত্রে দুই বিপরীত বিন্দুর অবস্থানকারী সময়ের হাত ধরে আজ এক মঞ্চে । সমাজবাদী ও বহুজন সমাজবাদী আজ হাত ধরাধরি করে সমান দূরত্ব রাখতে চাচ্ছে বিজেপি ও কংগ্রেস থেকে । কারণ উত্তর প্রদেশে কংগ্রেস বিজেপি দুই সমান শত্রু অখিলেশ মায়াবতীদের ।
২০১৯ সালে বিজেপি'রজন্য ইউপি অধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। । মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথএর জনপ্রিয়তা সমাজবাদীদের শিরপীড়ার কারণ । তাই বিশেষজ্ঞ মহলে চাপা গুঞ্জন বিজেপি-বিরোধী জোট কংগ্রেসকে বাদ দিয়েকতখানি সফল হবে ? প্রিয়ংকারআবির্ভাবউত্তরপ্রদেশ রাজনীতিতে কতখানি প্রভাব ফেলবে সেটি ও দেখা ।

সমাজবাদী ও বহুজন সমাজবাদীর ভোট ব্যাঙ্ক কিন্তু এক-ই । সমাজের উচ্চ বর্ণের ভোট ব্যাঙ্ক ধরে রাখতে সক্ষমবলে বিজেপি এক কর্মকর্তা জানালেন ।

আগ্রাসী উচ্চ বর্ণের চাপ বিএসপি ও এসপি ভোটারদের একে অপরের কাছে নিয়ে এসেছে । যদি বিএসপি-এসপি একত্রিত হয়, তাহলে তারা বিজেপির আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে। প্রিয়ংকা গান্ধী ভদ্রার রাজনীতিতে আবির্ভাব ইউপির কংগ্রেসকে আশাবাদী করে তুলেছে । যেখানে ৪ থেকে ৮ টি আসন পাবে ভেবেছিল , সেখানে কংগ্রেস ২০টি আসনে বাজিমাত করার কথা ভাবছে । অপর দিকে রয়েছেন ‘ভীম সেনাবাহিনী’র চন্দ্রশেখর আজাদ । তিনি তরুণ দলিতদের সমর্থন করেছেন যারাইতিমধ্যে মায়াবতীরপ্রতি আস্থা হারিয়েছেন । চন্দ্রশেখর আজাদ তরুণ দলিতদের অস্থিরতার প্রতিনিধিত্ব করছেন । চন্দ্রশেখর আজাদের রাজনীতি মাঠথেকে উচ্চ বর্ণের আধিপত্য চ্যালেঞ্জ করেছেন তাঁর স্বভাব গত হুঙ্কারে ।দলিতদের একটা অংশ তাঁর নেতৃত্বে উচ্চ বর্ণ বা প্রভাবশালী শ্রেণীর উত্তরাধিকারকে চ্যালেঞ্জ করতে চায়।সংসদীয় নির্বাচনেদলিতদের এই ভোট ভাগাভাগিবিজেপি কে আরও শক্তিশালী করবে বলেই ধারণা তিনি (আজাদ) বিজেপির বিরুদ্ধে ক্রিস্টালিসার বা অনুঘটকের ভূমিকা পালন করছেন বলেরাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা ।