মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৯

আসামে কমপক্ষে 70,000 জন অবৈধ নাগরিক হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে


আসামে কমপক্ষে 70,000 জন অবৈধ নাগরিক হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে। -- এমনটাই ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে দাবি করেছেন সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা

আসাম সরকার সুপ্রিম কোর্টের প্রতিবেদনে স্বীকার করেছে যে 70,000 ব্যক্তি যারা ট্রাইব্যুনালের দ্বারা বিদেশী ঘোষিত হয়েছিল তারা এখন অপ্রাসঙ্গিক। "তারা স্থানীয় জনসংখ্যার সঙ্গে মিশ্রিত হয়েছে," সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা ভারতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গোগোয়ের নেতৃত্বে একটি বেঞ্চের সামনে এই তথ্য জমা দেন।


মেহতা মতে, ট্রাইব্যুনাল এই অবৈধ বিদেশীকে শনাক্ত করেছিল কিন্তু তাদের পাঠানোর আগে তারা রাজ্যের স্থানীয় জনগণের সাথে "মিশে" যায় । সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারের এই উদাসীনতাকে আদালত অসম্মানিত বলে মনে করে । অবৈধ ইস্যু রাজ্যের একটি জ্বলন্ত সমস্যা । বার বার এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে আসাম অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠে । অথচ শুনানির সময়ে রাজ্যের প্রধান সচিবের অনুপস্থিতি নিয়েও সুপ্রিম কোর্ট বিস্মিত হয় ।

বিদেশি কে বা কারা এই ঠিক করে উঠতে পেরেছি কী রাজ্য ? বারবার রাজনৈতিকহাতিয়ার হয়ে উঠা আসামের বাঙালি ভোট ব্যাঙ্কের সহজ অঙ্ক । এই ইস্যুকে জিইয়ে রাখতে পারলে এজেপি বিজেপি কংগ্রেস সকলের লাভ । স্বাধীনতার পরথেকে বাঙালিকে বাস্তুহীন করে রেখে সকল দল-ই কী লাভবান হচ্ছেন না ? কয়েকদিন আগে আসাম সরকার একটি অদ্ভুত প্রস্তাব দিয়েছিলেন ,

যারা ঘোষিত বিদেশী তারা যাতে পালিয়ে যেতে না পারেন সেজন্য সবার শরীরে একধরনের মাইক্রো চিপ্ লাগানোর কথা বলা হয়েছে ।যাতে এদের যে কোন সময় track করা যায়। সবার মাঝে এরকম চিপস পরিহিত কিছু মানুষরা ঘুরে বেড়াবেন অথচ কেউ জানবে না ।যেমনটা সংরক্ষিত বনাঞ্চলে পশুদের ক্ষেত্রে করা হয়। আসামের বাঙালিদের এ হবে এ এক নতুন অর্জন , নতুন স্বীকৃতি -চিপস পরিহিত বাঙালি ।

নয়াদিল্লি: অন্যদেশ ডেস্ক