মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯

আকাশের কবিতা

আজ অন্যদেশ স্বজন কবি ও সম্পাদক আকাশ গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্মদিন। অন্যদেশ পরিবার কবিকে জানায় শুভেচ্ছা ও নিরন্তর শুভকামনা।


রোদ শুকাচ্ছে না

একমাত্র নিখোঁজ হলেই নাম বেরোবে কাগজে। ভাবার পর টিফিনবক্সে হাত বাড়িয়ে আমি রুটির দিক নিলাম যেহেতু তোমার টিফিন। তুমিও তাই তরকারির দিকই নিলে সেভাবে। দেখা হওয়ার মাঝে অনেক দেওয়াল আমাদের, অনেক গঙ্গাকল; দুহাত বাড়িয়ে তাতে তেল ধুয়ে নিই আর ভেবে দেখলে এ জলও একদিন সমুদ্রে পৌঁছবে ঠিক। শুধু তুমি ছুটি পেলেও বাড়িতে বলা চাপ, আমি বাড়িতে বললেও টাকা জমছে না তাই সমুদ্র আমাদের স্বপ্ন দেখাবে আরও কিছুদিন; আরও কিছুদিন লেখা বন্ধ থাকবে এমাসে...

কার্শফের সূত্র

এখানে প্রচুর জট। আমাকে ঠেলে নাও, ও মৃত্যু, তোমার কবলে। একটা গতানুগতিক উড়ে যাওয়া থেকে প্রচন্ড হর্ণের শব্দ ফাটিয়ে দিচ্ছে পর্দা। কিছু দোকান আজও ঝাঁপ তুলছে না। বৃষ্টি হলে আমরা সেখানে ঢুকে যাব। এ প্রত্যাশা থেকে খুব কিছু জীবন রাখি না আর। যতক্ষণ না রাস্তায় জল দাঁড়াচ্ছে আমি স্বাধীন; যেদিন রাস্তায় জল দাঁড়াচ্ছে, ম্যানহোল খুঁজতে বেরিয়ে পড়ছি সকাল সকাল।

ফ্লেমিং-এর ডানহাত

এক লাইন হেঁটে যাওয়ার মধ্যে বুড়ো আঙুলের অভিমুখে উড়ে গেল আপনার মাছরাঙা। আপনি সমকোণে অনামিকা বরাবর সাঁতার কাটলেন। মধ্যমা বরাবর তৈরি হলো চৌম্বকক্ষেত্র। এরপর ডাঙায় উঠে সমস্ত নুন সমুদ্রে ফেলে দিলেন। দরজার কাছে এগিয়ে এলেন ডাক্তারবাবু। উনি চিন্তিত। হাঁটবার ওষুধ দিলে আপনি সাঁতার কেটে বসছেন, সাঁতরাবার ওষুধ দিলে উড়ে যাচ্ছে মাছরাঙা।