রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯

অসমকে অশান্ত করতে কারা এই ‘চলো পাল্টাই’ ?

যখন ‘ভাষা’ নিয়ে গোটা ভারতে তর্ক বিতর্কের ঝড় বইয়ে যাচ্ছে , তখন দুই চারজন অতি উৎসাহী চ্যাটার্জি মুখ্যার্জিরা অসমের বুকে ছেড়ে দিল কালসাপ , ‘চলো পাল্টাই’ । মনে পড়ে গেল বহুদিন আগে সুপ্রাকান্দির অন্নদা মল্লিক একটি শোল মাছ আঁচল দিয়ে ঝাপ্টে ধরে আনন্দের আতিশয়্যে মাতৃভাষায় (কাছাড়ি) চিৎকার করে উঠেছিল, ‘ দূরতনে দেখিয়ার হাল্টার ( লাফাচ্ছে ) , ফাল মারিয়া আঁচলা দি ধরিলাইচ্ছি’ । পরিবর্তনের জিগির তুলে এই উল্টা-পাল্টা হাল্টানো কেন ? ‘ পাল্টাই ‘এর সঙ্গে ‘হাল্টারে’র কোথাও যেন একটা মিল পাওয়া যাচ্ছে । দুটোতেই ‘ল্ট’ –এর একটি মিল আছে । আর মিল রয়েছে ছটপটানির । কেন রে বাবা মাঝে মাঝে ভিন রাজ্যের জনদরদীদের অসমবাসী বাঙালির জন্য ছটপটানি জিগির দিয়ে উঠে? কখনো শরণার্থী নিয়ে , কখনও , জনবিন্যাস নিয়ে । উপদেশ এলো ‘ চলো পাল্টাই’ । পাল্টাব কেন ? আর তোমরা কারা গো চ্যাটুর্জে মুখুর্জে ব্যক্তি পুংগব ? দূরে থেকে ‘ খুড়োকলে’ দম দিয়ে বাজার গরম করা কেন ? কে তোমাদের মাথার দিব্বি দিয়েছে অসমের সাম্প্রদায়িক শান্তিতে অশান্তির বিষবাস্প পুশ করে দূর থেকে মজা দেখতে ? গায়ে মানে না আপনি মোড়ল ! মাত্র কয়েকদিন আগে বঙ্গজননীরঅনুচরেরাশিলচরের এয়ারপোর্টে ধুন্ধুমার কাণ্ড করে গেল । বাসী হয়ে যায় নি সেইসব সস্তা নাটুকেপনা ।

কোথা থেকে আরম্ভ হয়েছে , ‘চলো পাল্টাই’ ? কী তাদের জন ভিত্তি? কেন লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল বের হওয়ার পর পরেই এইস্বয়ম্বু নেতাদের আবির্ভাব ? পেছনে কোন অপশক্তির হাত নাই তো ? নিজের রাজ্যে পাশার দান উল্টে যেতেই প্রতিবেশির সম্প্রীতি বিঘ্ন করে নজর ঘুরানোর চক্রান্ত নয় তো কালিঘাট-জননীর? দিল্লির চন্দন চ্যাটার্জি, কলকাতার গাৰ্গ চ্যাটার্জি, অসমের শান্তনু মুখাৰ্জী, অমৃতলাল দাস, মন্তোষ মণ্ডল, নিখিল দাস ইত্যাদি স্বয়ম্বু নেতাদের ফেসবুকে লাইভযোগে অসমের বাঙালিদের একত্ৰিত হওয়ার আহ্বানের পিছনে কে বা কারা তার তদন্ত হওয়ার অবশ্যই প্রয়োজন আছে ।